What is Rooting on Android? The Advantages and Disadvantages

What is Rooting?

“Rooting” your device means obtaining “superuser” rights and permissions to your Android’s software. With these elevated user privileges, you gain the ability to load custom software (ROM’s), install custom themes, increase performance, increase battery life, and the ability to install software that would otherwise cost extra money (ex: WiFi tethering). Rooting is essentially “hacking” yourAndroid device. In the iPhone world, this would be the equivalent to “Jailbreaking” your phone.

What are the Advantages of Rooting?

Custom Software (ROM’s)

You may have heard of people loading custom “ROM’s” on their devices. A “ROM” is the software that runs your device. It is stored in the “Read Only Memory” of your device. There are many great custom ROM’s available that can make yourAndroid device look and perform drastically different. For instance, you might be stuck with an older Android device that is stuck on an older version of the Android OS and it is not getting any of the newer updated versions of Android. With a custom ROM, you could load up the latest and greatest available Android versions and bring that antiquated device up to par with some of the newer ones. There are lots of great ROM’s available for many different phones and it is up to you to find the one that best meets your needs. The best place that I have found to find custom ROM’s for Androiddevices is the XDA Developers Forums. The XDA community is filled with smartphone enthusiasts and developers for the Android platform. Check them out and see if you find any ROM’s that would meet your needs. [Link Here]

Custom Themes

Themes are basically the graphics that appear on your Android device. Rooting your device allows you the ability to fully customize just about every graphic on your device. You can load custom themes that totally change the look and feel of your device. Here are some examples:http://forum.xda-developers.com/forumdisplay.php?f=527

Kernel, speed, and battery

There are many custom ROM’s and apps available for rooted devices that will allow you to drastically improve the performance (speed) and also extend battery life on your device. A lot of developers tweak the kernels (layer of code that handles communication between the hardware and software) for added performance, battery life, and more.


Rooting your device grants you the ability to update the Basebands on your smartphone. The Baseband is what controls the radio on your device. By updating to the latest Basebands, you can potentially improve both the signal and quality of your phone calls.

Latest Versions of Android

As mentioned earlier, custom ROM’s can allow you to update to the latest version of the Android OS before they are officially released. This is a great feature for those who are tech-savvy and want to stay on top of the latest and greatest software updates before it hits the mainstream crowd. This is also useful if you have an outdated device that is no longer being updated by the manufacturer.

Backing up your device

The ability to easily backup all of your Apps and Data is one feature that is sorely missed on the stock build of Android devices. But if you root your device, backing up everything on your device (both apps and data) becomes a simple task. Titanium Backup is a must have app for anyone who has rooted their devices and wants to backup and restore their phones. [Market Link]

Unlocking Additional Features

By rooting your Android device you also gain the ability to unlock some features that your carrier may charge for. One example is enabling free WiFi and USB tethering, which many carriers charge money for. Now, I’m not suggesting you do this. But I did want to make you aware of the fact that it is possible to do this. However, your carrier may catch on to the fact that you are using your device as a free WiFi hotspot and figure out a way to charge you for it. So use this feature at your own risk!

What are the Disadvantages of Rooting?


The number one reason not to root your device is the potential risk of “bricking” it. As mentioned earlier, “bricking” your device means screwing up your phone software so badly that your phone can no longer function properly and is pretty much as useless as a brick. You would likely need to purchase a new Android device since the manufacturer of your device will void the warranty after any attempts at rooting.


There is an increased risk of unknowingly installing malicious software when you root an Android device. Root access circumvents the security restrictions that are put in place by the Android OS. There isn’t really an effective way to tell just what the application intends to do with that “superuser” power. You are putting a lot of trust into the developer’s hands. In most cases, these applications are open source and the community can take a look at the source code to assess the risk. But, nevertheless, the risk is there. Fortunately, malicious software on rooted devices hasn’t really been a problem as of yet. But I thought it was worth mentioning since this could be a potential risk in the future. I’d recommend installing an Anti-Virus and Security App just to be safe. Lookout Mobile Security seems to be one of the best ones available at the moment. [Link Here]

Can I Unroot my device if I change my mind?

Yes. You would need to do some research for your specific type of device. As mentioned earlier, the XDA Developer Forums is the best place to start. [Link Here]

How do I learn how to root my device?

Unfortunately, there is no easy way to teach someone how to root their Android device. Each device has a unique method to rooting and some research most be done on your part. As I mentioned earlier, the best place to start would be the XDA Developer Forums. [Link Here]  Another option is to simply Google your model phone and the term root (ex. “HTC EVO root”). Have fun and good luck to all of you! I hope you found this lesson on rooting to be helpful.


ভেনাস ফ্লাইট্র্যাপ

ভেনাস ফ্লাইট্র্যাপ একধরণের মাংসাশী উদ্ভিদ। এ উদ্ভিদটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর ক্যারোলিনার জলাভূমিতে পাওয়া যায়।

সম্পূর্ণ একটি উদ্ভিদের দৈর্ঘ্য প্রায় ১ ফুট (৩০ সে.মি.)। বসন্তকালে এর লম্বা মাথার ওপর চমৎকার সাদা ফুল ফোটে। কিন্তু উদ্ভি…
দটির সবচেয়ে দর্শনীয় জিনিসটি হচ্ছে এর পাতা। ফাইট্র্যাপের সরু সবুজ পাতাগুলো উদ্ভিদটির গোড়ার চারপাশে জন্মে। প্রত্যেকটি পত্রফলক ঝিনুকের খোলসে মত দুইখন্ডে বিভক্ত হয়ে যায়। প্রত্যেকটি খন্ডের মাঝখানে একটি মধ্যশিরা থাকে। খন্ড দুটি দৈর্ঘ্যে প্রায় ১ ইঞ্চি (২.৫ সে.মি.)। খন্ড দুটির ভেতরের তল সাধারণত লাল রঙের হয়ে থাকে। প্রত্যেকটি খন্ডের চারপাশের বাইরের প্রান্তে অসংখ্য শক্ত, সূচালো শুঙ্গ থাকে। এগুলোকে বলা হয় সিলিয়া। প্রত্যেকটি খন্ডের ভেতরের দিকে তিনটি ট্রিগার হেয়ার থাকে।

শিকারের পদ্ধতিসিলিয়ার ভেতরের ট্রিগার হেয়ারগুলোই উদ্ভিদের ফাঁদ। এগুলো দেখতে পাতার মত। পাতার খন্ড দুটি খোলা অবস্থায় ফাঁদটি শিকার করার জন্য তৈরি থাকে। উদাহরণস্বরূপঃ একটি মাকড়সা পাতার লাল রঙ আর পাতার কিনারায় থাকা মধুর মত মিষ্টি জিনিসটির প্রতি আকৃষ্ট হয়। মাকড়সাটি পাতার কিনারায় আসামাত্রই ট্রিগার হেয়ারগুলোতে টান পড়ে। তবে ফাঁদটি বন্ধ হওয়ার জন্য দুটি সঙ্কেতের প্রয়োজন। একটি ট্রিগার হেয়ার দু’বার স্পর্শ করলে ফাঁদটি সক্রিয় হয়ে ওঠে। উদ্ভিটটি বুঝতে পারে যে, কোন ঘাস বা পাতার টুকরো নয় বরং কোন জ্যান্ত প্রাণী ফাঁদে আটকা পড়েছে। দু’বার সংকেত পেলেই পাতার খন্ড দুটি খুব দ্রুত মাকড়সাটির চারপাশে এসে বন্ধ হয়ে যায়। সিলিয়াগুলো একসাথে বন্ধ হয়ে পালানোর পথও বন্ধ করে দেয়। এ পর্যায়ে খুব ছোট্ট একটি মাকড়সা কিংবা পোকামাকড় সিলিয়ার ভেতর দিয়ে ঢুকে যেতে পারে। উদ্ভিদটি এ ধরণের পোকামাকড়পকে ভেতরে ঢুকতে বাধা দেয়। ফাঁদের দরজা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর পরই পাতার ভেতর থেকে এক ধরণের তরল পদার্থ বেরিয়ে আসে। তরলের মধ্যে মাকড়সাটি ডুবে যায়। এ তরল পদার্থের মধ্যে থাকে পরিপাকে সাহায্যকারী উৎসেচক। এগুলো মাকড়সার দেহটিকে এমন অবস্থাতে পরিণত করে ফেলে যা থেকে উদ্ভিটটি সহজেই পুষ্টি উপাদান সংগ্রহ করতে পারে। উৎসেচক যত বেশি পারিমাণে আসে মাকড়সার মৃতদেহের নরম অংশগুলোও ততই ধীরে ধীরে গলতে থাকে। ৮/১০ দিন পর মাকড়সাটির দেহের অংশগুলো নাইট্রোজেনসমৃদ্ধ তরল পদার্থে পরিণত হয় যা উদ্ভিদ দ্বারা শোষিত হয়ে যায়। মৃতদেহের যেসব শক্ত অংশগুলো উদ্ভিদটি হজম করতে পারেনি সেগুলো ফাঁদটি খুলে বের করে দেয়। ফাঁদ আবার আগের মত পেতে রাখা হয়। নষ্ট হয়ে যাবার আগে একটি ফাঁদ অন্তত তিনবার শিকার ধরে ফাইট্র্যাপ গাছকে সহায়তা করে।Source: TechnospotBD